কিডনি পাথরের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা: প্রাকৃতিক উপায়ে সমাধান
কিডনি পাথর একটি সাধারণ কিন্তু অত্যন্ত কষ্টদায়ক সমস্যা। আমাদের শরীরে যখন প্রস্রাবের মাধ্যমে নির্গত হওয়ার কথা এমন কিছু খনিজ পদার্থ জমে শক্ত দানার মতো তৈরি হয়, তখন সেটিই কিডনি পাথর নামে পরিচিত। ছোট পাথর অনেক সময় নিজে থেকেই বের হয়ে যায়, কিন্তু বড় পাথর তীব্র ব্যথা ও জটিলতার কারণ হতে পারে।
অনেকে প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতির প্রতি আগ্রহী হন। হোমিওপ্যাথি এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে রোগীর উপসর্গ অনুযায়ী ওষুধ নির্বাচন করা হয়।
কিডনি পাথরের সাধারণ লক্ষণ
।
কোমর বা পিঠের এক পাশে তীব্র ব্যথা
ব্যথা তলপেট বা উরু পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া
প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া
বারবার প্রস্রাবের বেগ
প্রস্রাবে রক্ত
বমি বমি ভাব
লক্ষণ ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে।
কিডনি পাথরের হোমিওপ্যাথিক ওষুধ
নিচে উপসর্গ অনুযায়ী কিছু প্রচলিত হোমিওপ্যাথিক ওষুধ তুলে ধরা হলো—
১. Berberis vulgaris
ডান কিডনিতে তীব্র ব্যথা হলে, যা কোমর থেকে উরু বা মূত্রনালিতে ছড়িয়ে যায়, তখন এই ওষুধটি প্রায়ই ব্যবহার করা হয়। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া থাকলেও এটি উপকারী বলে বিবেচিত।
২. Cantharis
প্রস্রাবে তীব্র জ্বালাপোড়া, অল্প অল্প প্রস্রাব এবং বারবার বেগ—এই উপসর্গগুলিতে এই ওষুধ ব্যবহৃত হয়। প্রস্রাবে রক্ত থাকলেও এটি প্রয়োগ করা হয়।
৩. Lycopodium clavatum
ডান পাশের কিডনিতে সমস্যা বেশি হলে, প্রস্রাবের আগে বা পরে ব্যথা থাকলে এবং প্রস্রাবে লাল বালির মতো দানা দেখা গেলে এই ওষুধটি বিবেচনা করা হয়।
৪. Sarsaparilla
প্রস্রাবের শেষে তীব্র ব্যথা হলে এটি ব্যবহৃত হয়। শিশুদের কিডনি পাথরের ক্ষেত্রেও অনেক সময় প্রয়োগ করা হয়।
৫. Hydrangea arborescens
এটি অনেক সময় “স্টোন ব্রেকার” নামে পরিচিত। যাদের বারবার পাথর হওয়ার প্রবণতা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
৬. Nux vomica
খিটখিটে মেজাজ
প্রসাবের বেগ আছে কিন্তু ঠিকমতো হয় না
মশলাদার খাবারের পর সমস্যা
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment
Thanks for your comment